আপনি জানেন কি?

আপনি জানেন কি, আপনার কনুই থেকে হাতের কব্জি পর্যন্ত যত লম্বা, আপনার পায়ের পাতাও ঠিক তত লম্বা??

ইন্টারনেটের গতি বাড়ান আপনার কম্পিউটারে !

আপনি জানেন কি,আপনার ইন্টারনেট স্পিড বাইফিল্ড ২০% কমানো? কথাটা শুনতে অন্যরকম লাগলেও এটাই চির সত্য।

এবার আপনারা AIRTEL থেকে SMS করুন একদম ফ্রী।

আমরা সকলেই আমাদের মোবাইল ফোন থেকে কোন না কোন কাজে SMS SEND করে থাকি। এতে প্রতি SMS এর জন্য আমাদের কমপক্ষে খরচ হয় প্রায় ১ টাকা। কিন্তু এখন আমরা যারা AIRTEL ব্যবহার করি তারা খুব সহজে আমাদের এই টাকা বাঁচাতে পারি।

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

কম্পিউটার টিপস লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
কম্পিউটার টিপস লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ১৩ জুলাই, ২০১২

ইন্টারনেটের গতি বাড়ান আপনার কম্পিউটারে !

আপনি জানেন কি,আপনার ইন্টারনেট স্পিড বাইফিল্ড ২০% কমানো?
কথাটা শুনতে অন্যরকম লাগলেও এটাই চির সত্য। আপনি হয়তো এখনো জানেন না যে, Microsoft windows গুলোতে আপনার কম্পিউটারে ২০% ইন্টারনেট স্পিড কমানো থাকে বাইফিল্ড ভাবে। এই ২০% বেন্ডউইথ Microsoft তাদের প্রডাক্ট আপডেট করার জন্য রিসার্ভ করে রাখে। এবার আপনিই

বলেন আপনি ২০% বঞ্চিত কিনা ?
ইতোপূর্বে বিভিন্ন সফটওয়্যার দ্বারা অনেকে হয়তো ইন্টারনেট স্পিড বাড়িয়েছেন। কিন্তু এতে ইন্টারনেট স্পিড বাড়লেও পিসি কিছুটা স্লো হয়ে গিয়েছিল। তবে এই ট্রিক্সটি এপ্লাই করলে পিসি স্লো হবার সম্ভাবনা নেই।
আসুন ছোট্ট একটা ট্রিক্স অ্যাপ্লাই করে আমরা ইন্টারনেট স্পিড ৮0% কে বাড়িয়ে ১০০% করে নেই
যেভাবে করবেনঃ
ক) স্টার্ট মেনু থেকে Run এ ক্লিক করুন।
gpedit.msc টাইপ করে এন্টার দিন।
খ) তারপর group policy editor ওপেন হবে. এখন,
Local Computer Policy / Computer Configuration / Administrative Templates / Network / QOS Packet Scheduler / Limit Reservable Bandwidth
গ) Limit Reservable bandwidth এ ডাবল ক্লিক করুন. এটা not configure করা থাকবে।
এখন সিলেক্ট করুন এবং ENABLE করুন, এখন Bandwidth limit % এ গিয়ে ০ লিখে দিন।
OK করে বের হয়ে আসুন।
এখন আপনার কম্পিউটারে আর ২০% স্পিড রিজার্ভ করা থাকবেনা। এবার ইন্টারনেটের দুনিয়ায় প্রবেশ করুন ১০০% গতি নিয়ে!

শুক্রবার, ৬ জুলাই, ২০১২

বাড়িয়ে নিন আপনার হার্ডডিস্কের গতি

আস্‌সালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই?
আজকে আমরা দেখব কীভাবে হার্ডডিস্কের স্পীড বাড়ানো যায়।
আমাদের ব্যবহূত কম্পিউটারের হার্ডডিস্কটি কাজ করতে করতে অনেক সময়ই স্লো হয়ে পড়ে। তখন দেখা যায় কম্পিউটার স্টার্ট বা কপি পেষ্ট হতে অনেক সময় নেয়। হার্ডডিস্কের কোন ফাইল ওপেন করতেও বেশ সময় লেগে যায়। আর কাজের সময় স্লো হলে মেজাজটা কার ভাল থাকে বলুন?
মেজাজটা খারাপ না করে দেখুন কীভাবে আপনার হার্ডডিস্কের গতি বাড়াতে পারেন।
এ পদ্ধতিতে আপনার কম্পিউটারের মেমোরীর স্পেশাল বাফার কনফিগার করে হার্ডডিস্কের সাথে মেমোরীর ডেটা আদান-প্রদান স্পীড বাড়ানো হয়। ফলে হার্ডডিস্কে আগে থেকে আরো দ্রুত কাজ করা যায়।
প্রথমে আপনার কম্পিউটারের সমস্ত প্রোগ্রাম ক্লোজ করে দিন। এবার Start এ ক্লিক করে Run এ ক্লিক করুন।
অথবা কীবোর্ড থেকে Windows Logo কী প্রেস করা অবস্থায় R প্রেস করুন।
এবার Open বক্সে টাইপ করুন- SYSEDIT.EXE
এবার কীবোর্ড থেকে এন্টার চাপুন।




System Configuration Editor  সহ কয়েকটি উইন্ডো ওপেন হবে।

একেবারে সামনের তিনটি বক্স ক্লোজ করে দিন।
“C:\WINDOWS\SYSTEM.INI” Window ওপেন হবে।
ডানদিকের স্ক্রলবারটি নীচে টেনে নামান। দেখুন একটা লাইনে লেখা আছে [386enh]
লাইনটার শেষে কার্সার রেখে এন্টার চাপুন। একটা ফাঁকা লাইন তৈরী হবে। এবার টাইপ করুন Irq14=4096 ।
এটা কেইস সেনসেটিভ। কাজেই ছোট হাতের অক্ষর বড় হাতের অক্ষর ঠিক করে লিখতে হবে।
এবার ডানদিকে উপরে দেখুন File লেখা আছে। এতে ক্লিক করে Save এ ক্লিক করুন। ফাইলটি সেভ হবে। System Editor টি ক্লোজ করেদিন।
এবার আপনার পিসিটি রিস্টার্ট দিন। এবার দেখুন আপনার পিসির হার্ডডিস্কের গতি আগে থেকে অনেক বেড়ে গেছে। এখন কপি-পেষ্ট করতে এবং হার্ডডিস্কের কোন ফাইল ওপেন করতে আগে থেকে অনেক কম সময় লাগবে।
যাদের RAM 256MB বা তার বেশি, তারাই কেবল এই পদ্ধতিতে হার্ডডিস্কের গতি বাড়াতে পারবেন।
এই পদ্ধতিতে IDE হার্ডডিস্কের গতির পরিবর্তন খুবই লক্ষণীয়। তবে SCSI হার্ডডিস্কের ক্ষেত্রেও ভাল কাজ করে। আর এ পদ্ধতিতে হার্ডডিস্কের গতি বাড়ালে সিস্টেমের কোন ক্ষতি হয় না। কাজেই নিশ্চিন্তে কাজ করুন।
তাহলে আপনার হার্ডডিস্কের গতি বাড়িয়ে নিন এখুনি।
আর টিউনটি কেমন লাগল কমেন্টস করে জানাবেন।
আরো ভাল করে জানতে এখানে ক্লিক করুন
ভাল থাকুন সবাই।
ধন্যবাদ।

Notepade এ ফোল্ডার বানানো

আজ আমি আপনাদের জন্য নিয়ে আসলাম নতুন কিছু।  আমরা সাধারণত নতুন ফোল্ডার খুলতে গেলে প্রথমে মাউসের রাইট বাটন ক্লিক করি তারপর new তারপর folder এ ক্লিক করি। আবার folder গুলোর নাম দিতে একটা একটা করে rename  করি। এভাবে ঝামেলা না করে ‍কিভাবে notepad এ যত খুশি ফোল্ডার তৈরি করে তার রিনেম করা যায় তাই আজ আপনাদের দেখাচ্ছি:
প্রথমে আপনার কম্পিউটারের notepad open করুন। প্রথমেই লিখুন md তারপর space দিয়ে যে যে নামের ফোল্ডার তৈরি করতে চান সেই সেই নাম লিখুন। ধরুন আমি 1,2,3,4,5 নামের ৫ টি ফোণ্ডার তৈরি করতে চাই। তাহলে আমি নোটপ্যাডে লিখবো:
md 1 2 3 4 5
এবার সেভ করার পালা। সেভ এস এ ক্লিক করে যেকোনো নাম দিয়ে নামের শেষে .bat লিখে দেন। এবার আপনার .bat নামের ফাইলটি ওপেন করুন। দেখবেন 1 2 3 4 5 নামের ৫টি ফোল্ডার তৈরি হয়ে গেছে। এভাবে আপনার খুশি মতো যত খুশি ফোল্ডার তৈরি করতে পারেন।

ডাউনলোড করুন যে কোন মুভির subtitle

সবাইকে সালাম ও শুভেচ্ছা। আমরা প্রায় সবাই কম-বেশী বিদেশী মুভি দেখি। কিন্তু মাঝে মাঝে ভাষা বুঝতে আমাদের সমস্যা হয়। তাই আমরা subtitle ব্যবহার করে থাকি।আমি সব সময় subtitle দিয়েই মুভি দেখি। আবার সব সময় মুভির সাথে subtitle থাকে না। তাই ডাউনলোড করে নিতে হয়। আমি আজকে আপনাদের সাথে subtitle ডাউনলোড করার একটা সফটয়্যার শেয়ার করছি। আমি সব সময় এটিই ব্যবহার করি।
সফটয়্যারটা আগে ডাউনলোড করে নিন। তারপর বলছি কিভাবে subtitle পাবেন।
সফটয়্যারটা install করে run করুন।
1. এখানে আপনার কম্পিউটার থেকে মুভি সিলেক্ট করুন
2. এখানে ক্লিক করুন। একটু অপেক্ষা করুন।
3. এখানে আপনি অনেকগুলো subtitle পেয়ে যাবেন। subtitle এ ডাবল ক্লিক করলেই ডাউনলোড শুরু হয়ে যাবে। যেই ফোল্ডারে মুভি থাকবে সেই ফোল্ডারেই subtitle ডাউনলোড হবে।
ভালো লাগলে জানাবেন।

রবিবার, ২৪ জুন, ২০১২

কম্পিউটারের নানা সমস্যা ও সমাধান

(০১)সমস্যাঃ একটি নির্দিষ্ট ফাইলে কাজ করার পর ফাইলটিকে সেভ করলে সেভ হয় না।

সম্ভাভ্য কারণঃ
  • ফাইলটি রিড অনলি করা আছে।


সমাধানঃ
  • ফাইলটির প্রপার্টিজ থেকে রিড অনলি অপশনটি আনচেক করতে হবে। মাই কম্পিউটার-এ দুবার কিল্ক করযে ফোল্ডারের মধ্যে ফাইলটি আছে সেটি ওপেন কর। ফাইলটিতে মাউস পয়েণ্টার নিয়ে মাউসের ডান বোতাম ক্লিক কর। সেখান থেকে Properties ক্লিক কর। সেখানে Read only বক্সে একটি চিহ্ন দেয়া আছে সেটি বক্সে একটি চিহ্ন দেয়া আছে সেটি তুলে দাওএরপর Ok ক্লিক কর


মঙ্গলবার, ১২ জুন, ২০১২

▒▓ Pendrive এর ব্যাকগ্রাউন্ড এ ছবি যুক্ত ও Icon পরিবর্তন করুন

1. Background পরিবর্তন করার জন্যঃ
নোটপ্যাড এ গিয়ে নিচের কোডটি কপি করে পেস্ট দিন। এবার File এ গিয়ে Save as এ ক্লিক করে
পেনড্রাইভ এ Desktop.ini নামে সেভ করুন । সেভ করার সময় File type: All file নির্বাচন করুন। এবার আপনি যে ছবি Background এ সেট করবেন তা পেনড্রাইভ এ এনে Background নামে Rename রুন। তারপর Refresh করুন আর দেখুন মজা। [ছবিটি jpg format এর হতে হবে]
[{BE098140-A513-11D0-A3A4-00C04FD706EC}]
Attributes=1
Icon Area_Image=background.jpg
Icon Area_Text=0xFF3300
২. Icon পরিবর্তন করার জন্যঃ
নোটপ্যাড এ গিয়ে নিচের কোডটি কপি করে পেস্ট দিন। এবার File এ গিয়ে Save as এ ক্লিক করে
পেনড্রাইভ এ Autorun.inf নামে সেভ করুন । সেভ করার সময় File type: All file নির্বাচন করুন। এবার আপনি যে আইকন  পেনড্রাইভ এ সেট করবেন তা  পেনড্রাইভ এ এনে E1 নামে Rename করুন। তারপর  পেনড্রাইভ টি খুলে আবার প্রবেশ করান আর মজা নিন।
[auto run]
Icon=E1.ico

ধন্যবাদ সবাইকে !!!

পেনড্রাইভ বা মেমরী কার্ড PC – তে Open হচ্ছেনা ? কোন Software ছাড়াই Open করুন !!!

পেনড্রাইভ দিয়ে আমরা Data Transfer করি । আজকাল পেনড্রাইভ ও Memory কার্ড হলো ছোট ফাইল বা মুভি Transfer করার প্রধান মাধ্যম । কিন্তু অনেক সময় PC তে পেনড্রাইভ বা কার্ড Reader দিয়ে Memory Card ঢুকালে বা Memory Card – এর Icon আসে ঠিকই কিন্তু Open করার সময় একটি Error বার্তা “Access is denied” আসে । এটা Windows XP -তে বেশী হয়ে থাকে । একের অধিক PC থেকে যেগুলোতে বিভিন্ন Operating System চালিত ( যেমন : Windows XP, 7 or Apple OS) ক্রমাগত Data Transfer করার ফলে অথবা Virus এর কারনে এই সমস্যাটা হয় । অর্থাৎ PC তে Open হতে চায়না ।আমি নিজে এ সমস্যা অনেকবার face করেছি এবং বাধ্য হয়ে পেনড্রাইভ টিকে পুনরায় সচল করার জন্য হয় Antivirus দিয়ে scan করতে হয়েছে, না হয় Format দিতে হয়েছে । ফলে দরকারি Data হারাতে হয়েছে । তাই এই ছোট Tips এর সহায়তা নিয়ে এই সমস্যা দূর করুন।


১. পেনড্রাইভ বা Memory card-টি PC -তে লাগান ।
২. পেনড্রাইভ বা Memory card এর Icon-এ Right click করুন ।
৩ . Open না করে Copy অপশন Select করুন ।
৪. এবার আপনার Hard disc -এর যেকোন Drive – এ তা Paste করুন ।
৫. এবার ওপেন করুন এবং আপনার ফাইলটি নিয়ে নিন।
৬. এবার পেনড্রাইভ – টিকে Format করুন এবং আপনি যে ফাইলটি Hard Disc- এ জমা করলেন সেগুলো আবার পেনড্রাইভ – Copy or Cut করে Paste করুন।